nabanno and laksmir bhanderOthers 

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন সংক্রান্ত নিয়মগুলি বিশদে জানুন

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:চালু হতে চলেছে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প। মাসে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পাবেন বাংলার গৃহবধূরা। এসসি-এসটি মহিলারা ১০০০ টাকা। ওবিসি ও জেনারেল-রা ৫০০টাকা করে পাবেন। কীভাবে আবেদন করা যাবে তা একনজর দেখে নেওয়া যেতে পারে। জেনে নিতে পারেন আবেদন সংক্রান্ত বিশেষ নিয়মগুলি।

১৬ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলেছে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মতো বাংলার গৃহবধূরা আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে এই পরিষেবা পাবেন। এক্ষেত্রে জানানো হয়েছে, ৬০ বছর পর্যন্ত যে কেউ আবেদন করতে পারবেন। টাকা পাওয়া যাবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত সব মহিলাই পাবেন এই পরিষেবা।

সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে,স্বাস্থ্যসাথী স্কিমে যাঁরা নথিভূক্ত রয়েছেন সেই সমস্ত মহিলারাই লক্ষীর ভান্ডার এর সুবিধা পাবেন গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে। তবে রাজ্যের বাসিন্দা হতে হবে আবেদনকারীকে। আবেদনকারীর বয়স ২৫ থেকে ৬০ এর মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক।

নির্দেশিকা অনুযায়ী জানানো হয়েছে,সরকারি কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কেন্দ্রের ও রাজ্যের, কোনও স্বশাসিত সংস্থা, সরকারি নিয়ন্ত্রিত কোনও সংস্থা, পঞ্চায়েত, মিউনিসিপালিটি, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা এই সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি সরকারি স্কুলগুলির ক্ষেত্রে বা যদি কেউ নিয়মিত বেতন অথবা পেনশন পান তাঁরা এই সুবিধার সুযোগ পাবেন না।

এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে,আর্থিক সুবিধা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হবে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে। দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বিনামূল্যে এর অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।

সরকারিভাবে বলা হয়েছে,আবেদনকারীর স্বাস্থ্যসাথী বা আধার কার্ড না থাকলে তাঁকে প্রাথমিকভাবে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বা আধার কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে বলেও জানানো হয় । সরকারি আধিকারিকরা আবেদন গুলোকে যাচাই করবে।

সূত্রের আরও খবর,তথ্য যাচাই করার পর গ্রামীণ এলাকায় ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার এবং শহরাঞ্চলে সাব ডিভিশনাল অফিসাররা আবেদনপত্রগুলি পোর্টালে তুলবেন। যাঁরা যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন তাঁদের নাম জেলাশাসকের কাছে পাঠাতে হবে। কলকাতার ক্ষেত্রে একই পদ্ধতিতে তা হবে। কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কমিশনার বিষয়টি চূড়ান্ত ভাবে জানিয়ে দেবেন বলে জানা গিয়েছে।

এ বিষয়ে আরও জানা যায়,আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য কি না তা যাচাই করবেন জেলাগুলির ক্ষেত্রে জেলাশাসকরা। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কমিশনার। আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন সঠিক তথ্য না দিলে। স্থানীয় স্তরে সরকারি সংশ্লিষ্ট দফতরে খোঁজ-খবর পেতে পারবেন বিশদে।

Related posts

Leave a Comment